ড. সহিদুল ইসলামের সম্মানহানির চেষ্টার বিরুদ্ধে মোরেলগঞ্জবাসীর অবস্থান

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর সাবেক সদস্য (মেম্বার) ড. মোঃ সহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলমান অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ এবং বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার সচেতন নাগরিকগণ।

স্থানীয় বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি কিছু অসাধু ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, বিশেষ করে ফেসবুকের বিভিন্ন আইডির মাধ্যমে সম্মানিত ড. মোঃ সহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর তথ্য প্রচারের চেষ্টা চালাচ্ছেন। এ ঘটনায় অগণিত কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং এলাকাবাসী গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং এসব কর্মকাণ্ডকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ষড়যন্ত্র বলে অভিহিত করেছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সূত্র জানায়, সম্মানিত ড. মোঃ সহিদুল ইসলাম দীর্ঘ কর্মজীবনে একজন দক্ষ, সৎ ও অভিজ্ঞ সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তিনি শিক্ষাজীবনে কৃতিত্বের সঙ্গে উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করেন। তার পিতা ছিলেন একজন সরকারি চাকরিজীবী ও শিক্ষা-অনুরাগী ব্যক্তি, যিনি তাকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তোলেন। ড. মোঃ সহিদুল ইসলাম শিক্ষার পাশাপাশি ব্যবসা ও প্রাইভেট চাকরির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং পরবর্তীতে নিজ যোগ্যতা, মেধা ও দক্ষতার মাধ্যমে সরকারি চাকরিতে যোগদান করেন। কর্মজীবনে তিনি রাষ্ট্রের রাজস্ব আহরণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন বলে সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত।

বাগেরহাট জেলার এক সম্মানিত ব্যক্তি বলেন, “যোগ্য ও সফল ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নানা সময়ে অপপ্রচার চালানো হয়। যারা নিজেদের ব্যর্থতা আড়াল করতে চান, তারাই অনেক সময় মিথ্যাচার ও ষড়যন্ত্রের পথ বেছে নেন। ড. মোঃ সহিদুল ইসলাম একজন সম্মানিত ব্যক্তি, তার অবদানকে খাটো করার কোনো সুযোগ নেই।”

এনবিআরের এক সাবেক কর্মকর্তা জানান, “ড. মোঃ সহিদুল ইসলামের মতো দক্ষ ও অভিজ্ঞ কর্মকর্তা খুব কমই দেখা যায়। রাষ্ট্রের রাজস্ব খাতে তার অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে।”

স্থানীয় নাগরিকরা দাবি করেন, কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যদি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে কারও সম্মানহানি করার চেষ্টা করে, তবে বিষয়টি আইনগতভাবে তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

মোরেলগঞ্জের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ মনে করেন, ড. মোঃ সহিদুল ইসলাম তার দীর্ঘ কর্মজীবনে রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা বজায় রেখে সকলের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ ও সম্মানজনক আচরণ করেছেন। চাকরির নির্ধারিত বয়সসীমা পূর্ণ হওয়ায় তিনি সম্মানের সঙ্গে অবসরে গেছেন।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার ও বিভ্রান্তি ছড়ানোর পরিবর্তে সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ তথ্যের ভিত্তিতে মতামত প্রকাশের সংস্কৃতি গড়ে উঠবে এবং সম্মানিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন প্রচারণা বন্ধ হবে।